ক্যাসিনো ইস্যুতে মেননসহ পাচঁজনকে আইনি নোটিশ

ক্যাসিনো ইস্যুতে মেননসহ পাচঁজনকে আইনি নোটিশ

সিনিয়র করেসপন্ডেন্ট: ক্যাসিনো ব্যবসার সঙ্গে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি সংসদ সদস্য রাশেদ খান মেননসহ পাচঁজনের বিরুদ্ধে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

বুধবার (২৫ সেপ্টেম্বর) সুপ্রিমকোর্টের আইনজীবী ড. মো. ইউনুছ আলী আকন্দ রেজিস্ট্রি ডাকযোগে এ নোটিশ পাঠান ।

রাশেদ খান মেনন ছাড়াও বেসামরিক বিমান ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী, সংসদ সদস্য ও জাতীয় সংসদের হুইপ শামশুল হক চৌধুরী, স্বরাষ্ট্র সচিব এবং বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মহিবুল হককে বিবাদী করে এ নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আইনি নোটিশের জবাব না পেলে বিবাদীদের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে রিট দায়ের করবেন বলেও নোটিশে উল্লেখ করেছেন আইনজীবী ইউনুছ আলী।

নোটিশে সংবিধানের একটি অনুচ্ছেদ ও প্রকাশ্য জুয়া আইন ১৮৬৭ এর কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

সংবিধানের ১৮(২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে- গণিকাবৃত্তি ও জুয়াখেলা নিরোধের জন্য রাষ্ট্র কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করিবেন। এ ছাড়া জুয়া আইনের ৩, ৪ ও ১৩ ধারা অনুসারে এটা শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ বলেন, সংবিধানের ১৮ (২) অনুচ্ছেদ অনুসারে রাষ্ট্র জুয়া বন্ধে ব্যবস্থা নেবেন। কিন্ত সেটি এখনও করেনি সরকার। ফলে সারাদেশে জুয়া, ক্যাসিনো প্রভাব বিস্তার করেছে। সে জন্য অপরাধ বেড়ে যাচ্ছে, মানি লন্ডারিং হচ্ছে। ইদানিং সরকার পদক্ষেপ নিয়েছে। যাদের কিছু কিছু সংশ্লিষ্টতা আছে তাদের গ্রেফতার করছে। কিন্তু যারা গডফাদার তাদের গ্রেফতার করছে না।

‘পত্রপত্রিকায় এসেছে রাশেদ খান মেনন ইয়ংমেন্স ক্লাবের গভর্নিং বডির সভাপতি। তিনি লাল ফিতা কেটে এটির উদ্বোধন করেছেন এবং তার ছবি সেই চেয়ারম্যান কক্ষে আছে। তার বিরুদ্ধে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছে না।

তিনি বলেন, গতকাল মিডিয়ায় দেখেছি পর্যটন প্রতিমন্ত্রীর উপস্থিতিতে সচিব বলেছেন বিদেশিদের জন্য ক্যাসিনোর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করবেন। এ বক্তব্য অসাংবিধানিক। এছাড়া একজন হুইপ মিডিয়ায় জুয়া বা ক্যাসিনো বিরোধী অভিযান নিয়ে মন্তব্য করেছেন। তিনি বলেছেন, এগুলো বন্ধ হয়ে গেলে ক্লাব কীভাবে চলবে? এখন কথা হচ্ছে অবৈধভাবে উপার্জন করে ক্লাব চলবে?’

তিনি বলেন, ‘এ অবস্থায় লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছি। এ বিষয়গুলো যে মিডিয়ায় দেখা যায়, তা কতটুকু সত্য এগুলোর বিষয়ে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জানতে চেয়েছি। যদি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জবাব না পাওয়া যায়, তাহলে ধরে নেওয়া হবে মিডিয়ায় যা এসেছে তা সত্য এবং ১০২ অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট করবো।

আপনার মতামত লিখুন :
error0



এই বিভাগের আরো খবর